
আবর্জনার ভাগার
শুধু দাও, নিও না কখনো।তুমি কি মনে করোপৃথিবী থেকে নেবার কিছু আছে?সত্যিই মনে করো কি, এ কথা তুমি?নিয়ে তুমি যাবেটা কোথায়?পৃথিবী যদি ফেলার জায়গা হয়দেওয়ার জায়গা হয়, তবুও তার –কোনো
শুধু দাও, নিও না কখনো।তুমি কি মনে করোপৃথিবী থেকে নেবার কিছু আছে?সত্যিই মনে করো কি, এ কথা তুমি?নিয়ে তুমি যাবেটা কোথায়?পৃথিবী যদি ফেলার জায়গা হয়দেওয়ার জায়গা হয়, তবুও তার –কোনো
মুহূর্তগুলো কৃষ্ণগহ্বরের মতো।স্বপ্নগুলো বাঁধে বাসা অন্ধকারে;মনে হয়, যেন এক্ষুনি উড়ে যাবে।এই অন্ধকার পার হওয়া যাবে,হয়তবা; যদি হও ধৈর্যের রাজা।এমন ঘনায়মান অন্ধকারে –তোমার গলার স্বর,কাজ করে ওষুধের মতো।দুনিয়ার যত ব্যক্তি, যত
সমতলে সচিবালয়ে আগুন, পাহাড়ে বসতি পুড়ে ছাই পৌষের কনকনে শীত রাতে তুমি কাছে নাই আমি একলা ঘুমাই। আমি ভয় পাই, খুব ভয় পাই। এক ফ্যাসিস্ট দেশান্তরে, অন্যজন বাজায় সানাই আমি
একটা কাঁচা, সবুজ ফল দেখেছো কী কখনো?কেমন সতেজ আর যৌবনে ভরা সে।জীবনের উপমা ঐ ফলের মতন –যখন সে পরিপক্ক হয়, ছড়ায় সুঘ্রাণ।সেই সুগন্ধে আকুল পরাণ, আকুলিবিকুলি করেআসে ছুটে তার ঘ্রাণে।
পৃথিবীতে মানুষের জীবন,করার উপর। আর,কোনো কিছু করার চেয়ে,তা না করা কঠিন।একটি দিন,যেন একটি জীবন।ভোর, শৈশব।সকাল, কৈশোর।মধ্যাহ্ন, যৌবন।অপরাহ্ন, প্রৌঢ়ত্ব।সন্ধ্যা, বার্ধক্য।রাত, মৃত্যু।
মনে হয় যেন,মাতৃগর্ভে এখনো।মনে হয় সব কিছুযেন এক জটিল ধাঁধা।কোনো প্রশ্নের সদুত্তরপাওয়া হয়নি এখনো।ঝুলন্ত পর্দার আড়ালে,সম্পর্কগুলো মাঝপথেশূন্যে দোদুল্যমান;যেন কোনো এক অশরীরীকম্পমান ছায়ার মতো কাঁপে।
আর কত হতাশ হব।দেশটা বেওয়ারিশ লাশের মতো,ফীরেও তাকায় না কেও।কোকিলের ডাক নিঃশ্বাসে থাকে মিশে।বৈশাখে এ কোন বিস্ময়!বায়ূরোধী নিঃশ্বাস স্তব্ধ করে আত্মাকে।আবারো ফালগুন-চৈত্র ফীরে আসেএ কোন সময়ে ?উপকূল থেকে উপকূলে,যেন এক
আয়নায় ধর্ষিতা নারীর মুখঅসহায় হরিণীর চোখবেধে রাখে মায়ার বাধনে।যায় না মুছে,অতীতের মোটা দাগ।শব্দ ও বাক্যের অন্তরালেঅন্তর্মুখী শ্রোতে লুক্কায়িত,ক্রমাগত অস্পষ্টআর অনিশ্চিত জীবন।প্রত্যক্ষদর্শীর চোখেঅর্থহীন শূন্যের অনুসৃতি।শূন্য আঙ্গিনায় কলা গাছ।ভয়াবহ অন্ধকারেআলোর আচ্ছাদন।স্বর্ণালী-ধূসর মেঘের
জীবনের কিছুটা মিষ্টি, কিছুটা তিক্তপদ্মপাতায় বাষ্পীভূত জলের বিন্দু;সৌন্দর্য রঙ, আর প্রেম তার স্বাদ।দ্রুত অপসৃয়মান স্বপ্নের ম্লানিমায়,আত্মার অনুসন্ধানী আলো;আর মরুভূমিতে অন্তরীণ, ক্লান্ত হৃদয়।শুধু মনে হয়, গন্তব্য কোথায়?মৃতের এ শহরে রোদে পোড়া
অক্ষরও শব্দ করে হাসে। কন্ঠস্বর নিম্নমুখী, শব্দ প্রস্রবনের মতো ঝরে। উরুতে দেখি এক ডাকিনীর আচড়; ঘাড়ে ও গলায় আর কব্জির উপরে, সূচাগ্র নখড়ে সে ভালোবাসার কথা বলে।